Hasir Jokes
1. দুই ব্যক্তি হাসপাতাল এ গিয়ে কথা বার্তা
1ম-- দাদা আপনি তখন থেকে কাঁদছেন
কেন? কেউ কি মারা গেছে??
2-- না! আমি রক্ত পরীক্ষা করতে
এসেছিলাম
1ম-- তো!!!?
২--ডাক্তার বাবু হটাৎ হাত কেটে
দিলেন
আর রক্ত নিয়ে নিলেন
এই শুনে প্রথম ব্যক্তি দিলেন দৌড়!!!
2--আপনি পালাচ্ছেন কেন?
1--আমি প্রস্রাব পরীক্ষা করতে
এসেছিলাম
2. একটা মেয়ে বসে কোক খাচ্ছিলো।
হঠাৎ করে একটা মশা ঐ কোকের গ্লাস
থেকে বেরিয়ে এসে বললো, "মা, মা
..." মেয়েটা রেগেমেগে বললো, "এই
শালা মশা, আমি তোর মা নই!" মশাটা
কাঁদোকাঁদো গলায় বললো, "এরকম বলো
না মা! আমি তোমার কোক থেকে
বেরিয়েছি!"
3. যদি ভালো পেনসিল হাতে না পারো,, কারো সুখের গল্প লিখার জন্যে.. তাহলে ভাল রাবার হও,, যেনো কারো দুঃখ মুছে দিতে পারো..!!
4. ছেলেঃ আই লাভ ইউ
মেয়েঃ (ঠাস করে থাপ্পড় মেরে)কী বললি শয়তান ?
ছেলেঃ ( ঠাস ঠাস করে দুটো থাপ্পড় মেরে) শুনতেই যখন পাস নাই
তাইলে থাপ্পর মারলি কেন
হারামজাদি?
5. বল্টু এক অফিসের ম্যানেজার পদে চাকরি পেল।
তো, বল্টু চাকরিতে জয়েন করার পরই কর্মচারীরা সময়মতো অফিসে আসা শূরু করল। কেউ লেট করেনা।
তাই দেখে অফিসের এম.ডি একদিন বল্টুকে বললঃ ঘটনা কি..? আগেতো কেউই সময় মতো অফিসে আসতো না। আপনাকে ম্যানেজার করার পর থেকেই সবাই টাইমের আগেই চলে আসে। আপনি কি জাদু জানেন নাকি..??
বল্টুঃ না স্যার, জাদু-টাদু কিছুনা।
আসলে,
.
.
.
আমি অফিস থেকে একটা চেয়ার সরিয়ে ফেলেছি। আর বলেছি, যে সবার পরে আসবে, তাকে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে। তাই সবাই
টাইমের আগেই চলে আসে।
6. এক বেকার লোক অনেকদিন
ধরে চাকরি খুঁজছিল।
একদিন পত্রিকায় একটা চাকরির বিজ্ঞাপন
দেখলো। বেতন
টেতন
দেয়া হবে না,
শুধু তিনবেলা খেতে দেয়া হবে। তবে শর্ত
আছে,
চাকরী প্রার্থীর
সাইকেল
থাকা লাগবে।
লোকটা ভাবলো বেকার ই তো আছি.... যাই
গিয়ে দেখি কয়েকদিন খাওয়া দাওয়ার
ব্যবস্থা তো অন্তত
হবে...
লোকটা সাইকেল নিয়ে চাকরীদাতার
বাড়ি গেলো।
চাকরীদাতাঃ আপনিই
চাকরী প্রার্থী?
প্রার্থীঃ হ্যা।
প্লিজ আমাকে চাকরীটা দিন। বড়
বিপদে আছি।
একটা চাকরীর
খুবই প্রয়োজন। চাকরীদাতাঃ ঠিক আছে
তাহলে আজ থেকেই
কাজে লেগে পড়ুন। প্রার্থীঃ কিন্তু
আমার কাজটা কি?
চাকরীদাতাঃ এখান থেকে তিন কিলোমিটার
দূরে মসজিদে প্রতিদিন খাবার বিতরন
করা হয়।
সেখানে তিনবেলা খেয়ে আসবেন আর
আসার সময়
আমার জন্য
নিয়ে আসবেন..
7.বল্টু : আমার একটা সমস্যা হচ্ছে।ডাক্তার : কি..?বল্টু : যখন যার সাথে কথা বলি তাকেদেখতে পাইনা।ডাক্তার : কখন এরকম হয়..? বল্টু: যখনফোনে কথা বলি।
8. জেলকর্তা : কাল তোমার ভোর ৫টায় ফাঁসি হবে।এটা শুনে বল্টু হেসে ফেললেন।জেলকর্তা : হাসছ কেন..?বল্টু : আরে ধুর !আমি সকাল ৯ টার আগে উঠিই না।
9. বল্টু একটা মাছির ডানা কেটেদিয়ে তাকে উড়তে বললেন, কিন্তুমাছি উড়ল না।বল্টু : তাহলে এখান থেকে প্রমানিতহলো যে, ডানা কেটে দিলে মাছিশুনতে পায় না।
10. স্যারঃ এই পচা , তুই পরীক্ষায় কেন ফেল করলি কারণটা কি...?.পচা : স্যার আপনি নিজে হিসাব করে দেখুন!! বছরে এমনি ছুটি ৫২ দিন।বাকি থাকল ৩১৩ দিন।.শীত গ্রীষ্ম বর্ষার ছুটি ৫০ দিন।বাকি থাকল ২৬৩ দিন।.৮ ঘণ্টা প্রতিদিন ঘুমালে হয় ১২২ দিন।বাকি থাকে ১৪১ দিন।.১ ঘণ্টা প্রতিদিন খেলা করলে হয় ১৫ দিন।বাকি থাকল ১২৬ দিন।.২ ঘণ্টা প্রতিদিন খাওয়া দাওয়ার পিছনে, মোট চলে যায় ৩০ দিন।বাকি থাকে ৯৬ দিন।.১ ঘণ্টা সবার সাথে কথা বলতে চলে যায় ১৫ দিন।বাকি থাকল ৮১ দিন।.বছরে পরীক্ষা হয় ৩৫ দিন।বাকি থাকল ৪৬ দিন।.সরকারী ছুটি ২০ দিন।বাকি থাকল ২৬ দিন।.টিভি দেখা, আত্মীয়ের বাড়ি ঘুরতেযাওয়া ২৫ দিন।বাকি থাকল ১ দিন, সেটাও আবার,জন্মদিন!!তাহলে পড়ার সময় কোথায়...!!
বল্টু একটা মাছির ডানা কেটেদিয়ে তাকে উড়তে বললেন, কিন্তুমাছি উড়ল না।বল্টু : তাহলে এখান থেকে প্রমানিতহলো যে, ডানা কেটে দিলে মাছিশুনতে পায় না।


Super
ReplyDelete